

0-3840×1742-0-0#
নিজস্ব প্রতিনিধি:পরলোকগত মৃত আত্মীয়-স্বজনদের আত্মার চিরকল্যাণ ও শান্তি কামনায় চালনা মিশনসহ দেশজুড়ে পালিত হয়েছে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিশেষ ধর্মীয় উৎসব ‘অল সোলস ডে’ বা ‘মৃত বিশ্বাসীদের স্মরণ দিবস’। প্রতি বছরের ন্যায় ২ নভেম্বর সোমবার অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও ধর্মীয় মর্যাদার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করেন খ্রিষ্টভক্তরা।বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৫ লাখ খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী এদিন ৫ টা ২৯ সময় সকাল থেকেই তাদের প্রয়াত প্রিয়জনদের স্মরণে বিভিন্ন সমাধিস্থলে সমবেত হন। তারা সমাধিগুলো ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন এবং ফুল ও জ্বলন্ত মোমবাতি দিয়ে সাজিয়ে তোলেন। অশ্রুসজল চোখে মোমবাতির আলোয় প্রিয়জনদের আত্মার চিরশান্তির জন্য প্রার্থনা করেন ভক্তরা।কাথলিক মণ্ডলীর নিয়ম অনুযায়ী, এবার মোট ৮টি কাথলিক কাটে খ্রিষ্ট মাস্টারগণ বিশেষ এই প্রার্থনা সভা পরিচালনা করেন। দিনটি উপলক্ষে চালনা মিশনে এক আবেগঘন ও পবিত্র পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মিশনে সমবেত প্রায় ২৬০০ জন খ্রিষ্টভক্ত তাদের প্রয়াত স্বজনদের কবরে ফুল দিয়ে এবং মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সমগ্র সমাধিস্থল মোমবাতির আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।চালনা গীর্জার পাল-পুরোহিত (প্যারিশ প্রিস্ট) ফাদার যোশেফ নরেন বৈদ্য ২ নভেম্বরের এই বিশেষ খ্রিষ্টযাগ ও প্রার্থনা সভা পরিচালনা করেন। তিনি তার বক্তব্যে প্রয়াত আত্মাদের কল্যাণে সবাইকে নিয়মিত প্রার্থনার আহ্বান জানান এবং খ্রিষ্টীয় বিশ্বাসে মৃত্যুর গুরুত্ব তুলে ধরেন। চালনা মিশনের মূল অনুষ্ঠান চলাকালীন উপস্থিত ভক্ত শ্রোতাদের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন, দাকোপ উপজেলা বিএনপির সাবেক ছাত্র নেতা ও চালনা পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক শেখ মোজাফফর হোসেন, তার সাথে সফরসঙ্গী উপস্থিত ছিলেন, এসএম গোলাম কাদের, সাবেক কাউন্সিলর মিন্টু আচারী, ছাত্র নেতা প্রিন্স সহ অন্যান্যরা। চালনা অনুষ্ঠান শেষে ফাদার যোশেফ নরেন বৈদ্য কালিনগর এলাকাতেও খ্রিষ্টভক্তদের নিয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভা পরিচালনা করেন। সেখানেও বিপুল সংখ্যক ভক্ত অংশ নেন।দিনটি উপলক্ষে খ্রিষ্টান পরিবারগুলোতে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয় এবং অনেকেই উপবাস থেকে বা দান-খয়রাত করে প্রয়াত প্রিয়জনদের স্মরণ করেন।
Leave a Reply