দাকোপের যৌন পল্লী শিশু নির্যাতন ও মাদকের কারখানা-স্থানীয়রা


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দাকোপ উপজেলার ৯নং বানিশান্তা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত যৌনপল্লী। প্রায় ১০০/১৫০ ঘরের বসতি। বানিশান্তা যৌন পল্লী ২০ বছর আগের চিত্র আর নিয়মনীতিকে হারিয়ে এখন সবাই সবার মতো স্বাধীন। নেই কোন সর্দারানী বা সভানেত্রী। এখন প্রতিটি ঘরের মালিকই সভানেত্রী ক্ষমতার উৎস। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ দিনের এই যৌনপল্লীতে নেই কোন সরকারি কর লাইসেন্স বা বৈধতা। প্রয়াত সভানেত্রী রাজিয়া বেগম মারা যাওয়ার পরে আরো ভয়ানক অবস্থা বলে যৌন কর্মীর কেহ কেহ জানান। গোপন সুত্রে,আরো জানা যায়,যৌনপল্লী শিশু নির্যাতন ও মাদকের কারখানায় পরিনত হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় যুবকদের কারণে যৌন পল্লীর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। শিশু নাবালিকাদের জোরপূর্বক যৌনকাজে বাঁধ্যকারসহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় অনেক যুবকেরা যৌনকর্মীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে নামে মাত্র স্ত্রী বানানোর ঘটনা ঘটে। সেই সুযোগে লোভে ক্ষমতায় যৌন কর্মীরা রমরমা মাদক ব্যবসা করতে সাহস পায়। সাবেক ইউপি সদস্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন,যৌনপল্লীর ভিতর বর্তমান ইয়াবা মদ গাঁজাসহ শিশু বাচ্চাদের দিয়ে যৌনতায় বাঁধ্য করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, কিছু স্থানীয় পাতি নেতারা যৌনপল্লীর ভিতর মাস্তানী আর মাদক সেবন করে। এছাড়া প্রশাসনের নাম ব্যবহার টাকা আদায় করাও হয়। এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি বলে আমি মনে করি। যৌনপল্লী এক কর্মী জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের পাড়ায় রেড দেয়।তবে আগে থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়ায় অভিযান সফল হয়নি। তবে মাঝে মাঝে এমন এমন অভিযান পরিচালনা করলে স্থানীয় যুবকদের উৎপাত আনাগোনাসহ মাদক প্রতিরোধ সম্ভব। যৌন কর্মীরা অনেকে বলেন, বহিরাগতদের দাপট আর মদদে আমাদের চলতে হয়। আমরা স্বাধীনতা চাই।
