দাকোপসহ খুলনা দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ বৃষ্টির মধ্যে ঈদ আনন্দে, স্ব স্ব মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামায

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সিয়াম সাধননার এক মাস পরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগমন। ২১ মার্চ রোজ শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদের নামায ঘুরাঘুরি আনন্দ ভাগাভাগি সব মিলে পুলকিত আন্তরিকতায় এগিয়ে সকল প্রস্তুতি শেষ। শনিবার ভোর থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর হালকা হালকা বাতাস। ঈদের মাঠ যেন, ছেঁড় ছেড়ি একটা ভাব এলোমেলো! ভিজে পুরো সামিয়ানা আর লাইটিং ব্যানার ঈদের মাঠ নামায আদায়ে বিকল্প পথের ঠিকানায় মুসল্লীরা। দাকোপ উপজেলার মাঠ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের নামায আদায়ের সকল প্রস্তুতি শেষ হয় গত কাল ২০ মার্চ। কিন্তু, বহিরা আবহাওয়ার কারণে হেড কোয়ার্টার মসজিদে সকাল ৮ টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন ঈদগাহ ঘুরে দেখা যায়, লক্ষ্মীখোলা,খাটাইল, হোগলাবুনিয়া,মৌখালী, পানখালী,কাটাবুনিয়া ঈদের মাঠে নামায আদায় করা সম্ভাব হয়নি। এছাড়া উপজেলার তিলডাঙ্গা ইউনিয়ন,দাকোপ, কামারখোলা, সুতারখালী, বাজুয়া,লাউডোব, কৈলাশগন্জ, বানিশান্তাসহ চালনা পৌর সভায় খবর নিয়ে জানা যায়, বহিরা আবহাওয়া গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণে স্ব স্ব ঈদের মাঠে ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করা সম্ভাব হয়নি। তবে স্ব স্ব এলাকার স্থানীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করা হয়। এ বিষয়, দাকোপ উপজেলা ইমাম পরিষদ সুত্রে জানা যায়, এবার সকাল ৮ টা হইতে ঈদুল ফিতরের নামায আদায়ের প্রস্তুতি বার্তা সকল মসজিদ মাদ্রাসায় জানিয়ে দেওয়া হয়। তারাও নিজ দায়িত্বে প্রচারকারে করে ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুত রাখে। কিন্তু,রাত থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়ে সকাল ৮টা বাজলেও না থামলে। স্ব স্ব মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামায আদায়ের হঠাৎ এমন প্রস্তুতি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ বিষয়, ঈদের মাঠে যেমন, একত্বে মিলিত হয়ে এক জামাতে এলাকার মুসল্লীরা এক সাথে নামায আদায় করে। এবার আর তেমনটা সম্ভাব হয়নি। মসজিদে পৃথক পৃথকভাবে জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

