

0-3840×1742-0-0#
নিজস্ব প্রতিনিধি:শিক্ষকদের অবসরকালীন ভোগান্তি দূর করতে এবং পেনশন ও পিআরএল (অবসরোত্তর ছুটি) প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে খুলনার দাকোপে এক ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। “শিক্ষকগণের দোরগোড়ায় পেনশন ও পিআরএল আদেশ ফাইল হস্তান্তর” শিরোনামে উপজেলায় বিশেষ সেবা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।দাকোপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেক্সনা আক্তারের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে পিনশন ও পিআরএল ফাইল তুলে দেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অহিদুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান।ক্যাম্পের মূল আকর্ষণ ছিল কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই সরাসরি শিক্ষকদের হাতে তাদের প্রাপ্তি বুঝিয়ে দেওয়া। এই বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মোট পাঁচ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক খগেন্দ্র নাথ গায়েন, সবুজ সাথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুপদ রায়,অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাটাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কঙ্কন রানী মজুমদার, কৈলাশগন্জ শ্যামাপদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্মৃতিকনা রায়, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাজুয়া বেড়ের খাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অনিতা রানী রায় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পানখালী (২) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দাকোপ খুলনা। হাতে পেনশন ও পিআরএলের আদেশসহ প্রয়োজনীয় ফাইল হস্তান্তর করা হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, দিপ্পল বিশ্বাস দাকোপ উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, মৌসুমি আক্তার, সহকারী কর্মকর্তা, ইসলামুল হক মিঠু ও সমীর বিশ্বাস সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দাকোপ খুলনা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, এস এম শফিউল আলম সেলিম, প্রধান শিক্ষক পানখালী (২) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পল্লব বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষক চালনা এন সি ব্লু বার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অহিদুল আলম বলেন, “শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পেনশন বা পি আর এল এর ফাইলের জন্য তাদের যেন টেবিলে টেবিলে ঘুরতে না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তাদের প্রাপ্য সেবা দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা সম্ভব হলো।” সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেক্সোনা আক্তার সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের শিক্ষক-বান্ধব ও সেবাধর্মী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী ও সুধীসমাজ শিক্ষা বিভাগের এই মানবিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা মনে করেন,এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষকরা তাদের প্রাপ্য অধিকার অত্যন্ত সম্মানের সাথে ঘরে বসেই বুঝে পাবেন।
Leave a Reply